নবীগঞ্জে গুমগুমিয়া পূজামণ্ডপে হামলা ভাংচুর : ওসি ও নারী পূজারীসহ আহত ২০

  • আপডেট টাইম : October 15 2021, 07:29
  • 15 বার পঠিত
নবীগঞ্জে গুমগুমিয়া পূজামণ্ডপে হামলা ভাংচুর : ওসি ও নারী পূজারীসহ আহত ২০

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি : হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের গুমগুমিয়া গ্রামে দুর্গা মন্দিরের পূজামণ্ডপের সামনে পূজারী এবং মাদ্রাসার ছাত্র ও যুবকদের সংঘর্ষে নবীগঞ্জ থানার ওসিসহ ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে আশংকাজনক অবস্থায় দুজনকে সিলেট প্রেরণ করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের গুমগুমিয়া পাঞ্জারাই জি কে ওয়াই দাখিল মাদ্রাসার ছাত্ররা এলাকার কিছু যুবকসহ মিছিল নিয়ে গ্রামের দুর্গা মন্দিরে ঢুকতে চেষ্টা করে। এসময় পূজারীবৃন্দ বাধা দিলে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে মাদ্রাসা ছাত্র ও যুবকরা পূজামণ্ডপের সামনের সাজসজ্জা সামগ্রী ভাংচুর করে ও পুজারীদের উপর হামলা চালায়। ফলে সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় পূজামপে ইটপাটকেলও নিক্ষেপ করা হয়।
খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে নবীগঞ্জ থানার ওসি মো ডালিম আহমদ মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হন। তাকে নবীগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
গুরুতর আহত অবস্থায় পূজারী পূরবী দাশ ও বিউটি দাশকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। এছাড়া রূপু দাশ, গুরুধন দাশ ও আশীষ দাশকে নবীগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনার পর হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহনওয়াজ মিলাদ, সিলেটের ডিআইজি মো মফিজ উদ্দিন আহমদ, হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার এস এম মুরাদ আলী, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আলমগীর চৌধুরী, নবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহিউদ্দিন ও সার্কেল এএসপি আবুল খায়ের ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে করেন। এ ঘটনার পর র‌্যাব-পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক দল গুমগুমিয়া গ্রামে মোতায়েন রয়েছে। ।
নবীগঞ্জ থানার ওসি-তদন্ত মো আমিনুল ইসলাম বলেন, যারা হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে তদন্তপূর্বক তাদের বিরুদ্ধ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহিউদ্দিন বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।